গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের সুযোগ দাবি করেছেন ২০১৬ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা। তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে নেয়া সিদ্ধান্তে ২০১৬ সালে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়ার কথা বলা হলেও চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে সেটি বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রাথমিক আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, এ বছর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য। তবে গুচ্ছ কমিটির একেক সময় একেক ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ভর্তিচ্ছুদের। পূর্বে আবেদনের যোগ্যতায় এসএসসি ২০১৬, ১৭ ও ১৮ সালের কথা বলা হলেও, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে শুধুমাত্র ২০১৭ ও ২০১৮ সালে পাসকৃত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের শিক্ষার্থী মো. শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, গুচ্ছ পরীক্ষা না হলে আমারা যারা ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি, তারা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৬ টিতে আবেদনের সুযোগ পেতাম। গুচ্ছের প্রথম টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকে ২০১৬ সালে এসএসসি পাসকৃতদের আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হলেও চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে সেটি বাদ দেয়া হয়েছে। যা অমানবিক। কাজেই আমাদের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হোক।
যশোরের শ্রীবরদী কলেজের শিক্ষার্থী কাদির হোসেন হৃদয় বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আগে আমরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদনের সুযোগ পেতাম। তবে গুচ্ছের কারণে এবার সেই সুযোগ আর পাবো না। বিষয়টি অমানবিক। যদিও প্রাথমিক বৈঠকে আমাদের সুযোগ দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। অবিলম্বে ২০১৬ সালে এসএসসি পাসকৃতদের আবেদনের সুযোগ দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত. গত ৩১ মার্চ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ্সএসসি পাস ও ২০১৯ ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় াাবেদন করতে পারবেন।
২০টি গুচ্ছ সা. বিশ্ব এবং বি.ও প্র. বিশ্ববিদ্যালয় A ইউনিট(মানবিক) প্রয়োজনীয় বইসমূহঃ
২০টি গুচ্ছ সা. বিশ্ব এবং বি.ও প্র. বিশ্ববিদ্যালয় B ইউনিট(বাণিজ্য) প্রয়োজনীয় বইসমূহঃ
২০টি গুচ্ছ সা. বিশ্ব এবং বি.ও প্র. বিশ্ববিদ্যালয় C ইউনিট(বিজ্ঞান) প্রয়োজনীয় বইসমূহঃ