স্বপ্ন যাবে এবার রঙিন ট্রেন জুড়ে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের কাছে আবেগের আরেক নাম শাটল ট্রেন। স্থান সংকুলান না হওয়া, প্রচণ্ড গরমে ঘেমে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও এ ট্রেনই বহন করে আসছে ক্যাম্পাসের ঐতিহ্যকে। সেই ট্রেনটি রঙিন হচ্ছে জার্মান শিল্পী লুকাস জিলিঞ্জারের শিল্পকর্মে।

জার্মানির আরইউএসবি আর্ট গ্রুপের প্রধান এ শিল্পী তার নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন শিল্পকর্মে রঙিন করছেন শাটল ট্রেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও। রঙিন শাটলের পাশে হাসিমুখে ছবি তুলছেন অনেকে। বিচিত্র শিল্পকর্ম দেখে মন জুড়াচ্ছেন তারা।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শেফাউল আজম বলেন, ‘ছিমছাম শাটল বিচিত্র রঙে রঙিন হয়েছে দেখে ভালো লাগছে। একটা শৈল্পিক ভাব এসেছে। আশা করবো সারাবছরই যেন কর্তৃপক্ষ এ রঙিন শাটলে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান  বলেন, ‘২৮ মার্চ জার্মান শিল্পী লুকাস জিলিঞ্জার আমাদের উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে শাটল ট্রেনের বগিগুলো নান্দনিক শিল্পকর্মের মাধ্যমে সাজানোর প্রস্তাব দেন। ট্রেনে আগেও বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম ছিল। আমাদেরও শাটল ট্রেন নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা ছিল। আমরা তার প্রস্তাবটি বিবেচনা করে তাকে শিল্পকর্মের অনুমতি দিই।’

এ কাজের সঙ্গে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক অরূপ বড়ুয়া  বলেন, ‘চবির পাহাড়, লেক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে রং বাছাই করেছেন লুকাস। তার রংতুলিতে চবির শাটল ট্রেন নতুন রূপ পেয়েছে।’

Eadmin

Related post