GST গুচ্ছ বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কেন এত অনুত্তীর্ণ
GST গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটে ফেল করেছে ৬৬%, সংখ্যায় যা ৯৮,৫৪৭ জন !
অর্থাৎ এই ৯৮,৫৪৭ জন শিক্ষার্থী ১০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম পাস মার্ক ৩০ পাননি ! কিন্তু
ফেল করা এই ৯৮ হাজার+ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেরই HSC পরীক্ষায় A+, A গ্রেড ছিলো।
তাছাড়া ঢাবি’র কোনো ইউনিটেই গড়ে পাসের হার ১০% এর বেশি নয়। জাবি, রাবি, চবি, BUP তেও পাশের হার আহামরি নয়। চান্স না পেতে পারে, কিন্তু একজন শিক্ষার্থীর ন্যূনতম পাস মার্ক না আসাটা হতাশাজনক।
কেন বাড়ছে না পাসের হার ?
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে কেন এত বিপর্যয় ?
– আসলে শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষাকে সিরিয়াসলি নেয় না। অধিকাংশই শর্টকাটে চান্স পেতে চায়। ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যে স্ট্রং বেসিক থাকা অত্যাবশ্যক এবং তার জন্য যে তথ্যবহুল বই পড়া উচিৎ তা অনেকে বুঝতে চায় না, চর্চাও করে না। ভর্তি পরীক্ষার অল্প সময়ে এক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শর্টকাটে পার পাওয়ার জন্য অমুক ভাইয়ের লেকচার শীট, তমুক ভাইয়ের সাজেশন শীট ইত্যাদির উপর নির্ভর করে প্রস্তুতি নেয়। জরিপে দেখা যায়- এদের মধ্যেই অকৃতকার্যের সংখ্যা বেশি।
অধিকাংশ কলেজে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির একটি বিষয়ের জন্য যেকোনো ১টি লেখকের পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হয়। কিন্তু বাজারে প্রতিটি বিষয়ের জন্য একাধিক লেখকের বোর্ড বই রয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় কখন কোন লেখকের বোর্ড বই থেকে প্রশ্ন করে বসে কে জানে ? !
ভর্তি প্রস্তুতির জন্য এ জন্যই সেরা জয়কলি’র বই। ১ বইতেই সকল লেখকবৃন্দের বই সব তথ্য গোছানো থাকে। বিগত সালের ভর্তি পরীক্ষার ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান, শর্টকাট টেকনিক, পর্যাপ্ত সেলফ টেস্ট। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য জয়কলি’র বিচিত্রা সিরিজের বইগুলো A-Z পড়লে পরীক্ষায় কোনো প্রশ্নই আনকমন বলতে কিছুই থাকবে না।
সদ্য অনুষ্ঠিত ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের GST গুচ্ছ বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও বায়োলজি বিষয়ে পদার্থ বিচিত্রা, রসায়ন বিচিত্রা, গণিত বিচিত্রা, বায়োলজি বিচিত্রা বইগুলো থেকে হুবহু/অনুরূপ ১০০% প্রশ্ন কমন এসেছে। তাছাড়া এই শিক্ষাবর্ষে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাবি, জাবি, রাবি, চবি পরীক্ষায়ও প্রায় শতভাগ প্রশ্ন কমন এসেছে, যার প্রমাণ তোমরা ইতোমধ্যে দেখেছো।
তাই এটা প্রমাণিত যে, জয়কলি’র ১ সেট বই পড়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে যেকোনো পরীক্ষায় প্রায় ১০০% প্রশ্ন কমন পাওয়া যায় এবং টপ মেরিটে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়।
সামনে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। হাতে সময় আছে ২ মাস ২০ দিন। যা পর্যাপ্ত। বিপুল সময় পাওয়ার পরেও যদি তুমি কৃষি ভর্তি পরীক্ষায়ও ফেল করো তাহলে সেটা হবে সত্যিই লজ্জ্বার।
তাই তোমাদের জন্য পরামর্শ থাকবে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ১০০% প্রশ্ন কমন পেতে জয়কলি’র বিচিত্রা সিরিজের বইগুলো ভালোভাবে পড়ো। তোমার পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন পাওয়া, পরীক্ষাকে সহজ করে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের, পড়াটা পড়তে হবে তোমাদের নিজেদের।
সবার জন্য শুভকামনা।
মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কৃতজ্ঞতা।






Visit Today : 440
Visit Yesterday : 598
This Month : 3396
Hits Today : 1085
Total Hits : 3046220

