শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধা যাচাই প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ
শিক্ষাবিদরা কর্মমুখী ও উৎপাদনশীল শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে শিক্ষাখাতে গবেষণার ওপর।
শিক্ষা গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষক আতিকুন নাহার মনে করেন, শিক্ষা নিয়ে যতো বেশি গবেষণা হবে ততো বেশি এর ঘাটতির জায়গাগুলো বেরিয়ে আসবে। সেগুলো চিহ্ণিত ও সমাধান করলেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কারণ মেধা যাচাই ও উত্তীর্ণ করতে প্রতি বছর যে পরীক্ষা নেয়া হয়, সেই ২-৩ ঘণ্টায় শিক্ষার্থীরা প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটাতে পারে না। তার মতে, সারা বছর ধরে একজন শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
এক্ষেত্রে তিনি জাতিসংঘের পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
জাতিসংঘের ১৯৪৮ এর ডিক্লারেশনে পরিষ্কার বলা আছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সবার জন্য। মাধ্যমিক শিক্ষা হবে কর্মমুখী, যা কর্মপোযোগী জনগোষ্ঠী তৈরি করবে। উচ্চশিক্ষায় নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। যিনি মেধাবী হবেন তিনিই উচ্চশিক্ষা নেবেন।
কিন্তু এই মেধা মূল্যায়নের জন্য যে ছাঁকুনি প্রক্রিয়া আছে সেটাকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মনে করেন আতিকুন নাহার।
তিনি বলেন, “আমরা মেধা যাচাইয়ের জন্য ২/৩ ঘণ্টার পরীক্ষার ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছি। এতে আসলে একজন শিক্ষার্থীর মেধা বা অর্জনের বহিঃপ্রকাশ ঘটে না। এজন্য সারা বছর ধরেই তাকে মূল্যায়নের একটা ব্যবস্থা থাকতে হবে।”






Visit Today : 26
Visit Yesterday : 598
This Month : 2982
Hits Today : 129
Total Hits : 3045264

