নিজের হাতখরচের টাকায় গণগ্রন্থাগার তৈরি করলেন রিমন বড়ুয়া

রামুর মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামে সাহিত্যঘর গণগ্রন্থাগারে বই আছে প্রায় দুই হাজার। নিজের জমানো টাকায় রিমন বড়ুয়া কিনেছেন বুকশেলফ, টেবিল, চেয়ার ও খাতা-কলম। ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামের প্রাণরসায়ন ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র তিনি।

২০২০ সালে নিজের সংগ্রহে থাকা ১০টি বই দিয়ে পাঠাগারের শুরু করেন রিমন। পরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বই চাইতেন। অনেকে সাড়া দিয়ে বইও পাঠাত তাঁর কাছে। পাঠকের চাহিদা মতো সেসব বই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতেন।

পড়া হলে আবার নিয়ে আসতেন। তাঁর এই কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া ফেলে। রিমন তখন চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজে পড়তেন। এ সময় করোনার কারণে অনেক দিন কলেজ বন্ধ ছিল।May be an image of 1 person and text
তখন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম নতুন গতি পায়। তাঁর সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়ান রফিকুল ইসলাম সাঈদী, মেহেদী হাসান, সজীব বড়ুয়া, অভিপ্সা বড়ুয়া মেঘলা, তামান্না আলম, সুবি বড়ুয়া প্রমুখ। মায়ের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে পাঠাগারের জন্য ঘর ভাড়া নেন। রামু উপজেলা পরিষদের সামনের মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামেই সাহিত্যঘর গণগ্রন্থাগার।
২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে সেটি। গল্প, উপন্যাস, কবিতাসহ প্রায় দুই হাজার বই আছে পাঠাগারে। নিবন্ধিত সদস্যসংখ্যা দুই শতাধিক। পাঠকদের মধ্যে শিশু-কিশোরের সংখ্যাই বেশি। একসঙ্গে বসে ১৫ জন পড়তে পারে।
ঘর ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খরচ যোগাড় করতে রিমনকে হিমশিম খেতে হয়। নিজের জমানো টাকা, হাতখরচের টাকা—সবই পাঠাগারে খরচ করেন। পরিবেশ রক্ষায় শিশু-কিশোরদের উদ্বুদ্ধ করতে পাঠাগারে ছোট ছোট টবে ফুলগাছও লাগিয়েছেন রিমন।কখনো মাঠে, কখনো নদীর তীরে আবার কখনো বা পাহাড়ের চূড়ায় বসে বন্ধুদের নিয়ে বই পড়া এবং পাঠচক্রের আয়োজন করেন। রিমন ও তাঁর বন্ধুরা হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭২টি গাছ রোপণ করেছিলেন। এ ছাড়া পাঠাগারে সাহিত্য আড্ডা, লেখক-পাঠক আড্ডা—এসব হয়েই থাকে।

ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ভর্তি প্রস্তুতিতে প্রয়োজনীয় বইসমূহঃ

৩৬০ টাকাORDER NOW ৫৬০ টাকাORDER NOW ৫৬০ টাকাORDER NOW ৫৬০ টাকাORDER NOW
৫৬০ টাকাORDER NOW 00০ টাকাORDER NOW 00০ টাকাORDER NOW 00০ টাকাORDER NOW

কাজ করতে গিয়ে বন্ধুবান্ধব, কাছের মানুষকে পাশে পেয়েছেন। রিমনের ভাষায়, ‘মজার ব্যাপার হচ্ছে, এলাকার অনেক মানুষকে এখনো বোঝাতে পারিনি এটি পাঠাগার, এখানে মানুষ বই পড়ে। বই, খাতা, কলম বিক্রি করার লাইব্রেরি নয়। মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে, বিক্রি হয় কি না? ’

ভবিষ্যতে পাঠাগারটির একটি স্থায়ী ভিত্তি দিতে চান রিমন।

 

Eadmin

Related post