নতুন বছরের পরিকল্পনা এখনই সাজিয়ে নেবার সময়
আর সময় নষ্ট করা নয়, আসছে বছর মন দিয়ে পড়াশোনা করবো। ভুঁড়ি বেড়ে যাচ্ছে, ডায়েট করব। ধূমপান ছেড়ে দেব। গাড়ি কিনবো। খসে পড়েছে পুরোনো বাড়ির পলেস্তারা, দারুণ একটা বাড়ি করবো। জমিয়ে কবিতা লিখবো। ফেলে রাখা উপন্যাসটা লিখে শেষ করবো। শখানেক নতুন বই পড়বো। নতুন একটা ভাষা শিখবো। নিঃসঙ্গ জীবন আর ভালো লাগছে না, বিয়েটা সেরে ফেলবো সামনের বছর। এত সুন্দর পৃথিবী, দেখা হলো না কিছুই, আগামী বছর যতটুকু সম্ভব ঘুরে বেড়াবো। কাজী নজরুলের কবিতার মতো অন্তত একটা বছর কাটাতে চাই—থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগৎটাকে।
নতুন বর্ষের শুরুতে এমন নানা রকম সংকল্প আমরা করি। কতকটা হয়তো বাস্তবায়িত হয়, কতকটা হয় না। কিংবা কারও কারও ক্ষেত্রে হয়তো সব সংকল্পই ভেস্তে যায়। কিছুই করা হয়ে ওঠে না। তাতে কী! প্রতিজ্ঞা বা পরিকল্পনা তো আত্মোন্নয়নেরই অপর নাম। নিরন্তর নিজেকে নবায়ন করা। আসলে পরিকল্পিত প্রতিজ্ঞা না থাকলে অধিকাংশ সময় জীবনটা গোলমেলে হয়ে যায়। বছরের গোড়াতে গোছানো পরিকল্পনা করা গেলে যাপিত জীবনটা সহজ হয়। স্বপ্নগুলোও ধীরে ধীরে পূরণ হতে থাকে।
আজ নতুন বছরের সংকল্প বা কর্মপরিকল্পনা সাজানোর দিন (রেজুলেশন প্ল্যানিং ডে)। ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির চল হয়। বছরের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে আজ কিন্তু আপনিও সাজিয়ে নিতে পারেন নতুন বছরের প্রতিজ্ঞা ও পরিকল্পনা। তবে অন্য সব পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রাখবেন। অন্যথায় বছর ঘুরে নতুন বছর আসবে একের পর এক, ফলাফল থেকে যাবে শূন্য। একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, নতুন বছরের কর্মপরিকল্পনার ক্ষেত্রে প্রতি তিনজনে একজন বর্ষের প্রথম মাসেই ব্যর্থ হন এবং হাল ছেড়ে দেন। সারা বছর ধরে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে সক্ষম হন মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ। আপনি না হয় সফল দশ জনের একজন হোন।






Visit Today : 55
Visit Yesterday : 262
This Month : 2413
Hits Today : 338
Total Hits : 3043230

