ভর্তি পরীক্ষার নানা আলোচনা সমালোচনায় ২০২১

ভর্তি পরীক্ষার নানা আলোচনা সমালোচনায় ২০২১

চলতি বছরের শুরুর দিকে বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা দফায় দফায় পেছানো হয়েছিল। তবে বছরের মাঝামাঝি সময়ের পর  প্রাদুর্ভাব কমতে শুরু করলে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। পরবর্তীতে বছরের শেষে এসে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে দিয়ে এই আয়োজন সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বছরজুড়ে এই আয়োজনে আলোচিত ছিল প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকার বাইরের কেন্দ্রে আয়োজন করা, ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনা, দুই ধাপে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা, কৃষি গুচ্ছ ও বুটেক্সের ভর্তি পরীক্ষার ফলে গরমিল, ঢাবিসহ বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং ভর্তি পরীক্ষায় সেকেন্ড টাইম বহাল রাখা প্রভৃতি।

তবে এবার সবকিছু ছাপিয়ে মূল আলোচনা ছিল ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পরীক্ষায় ভোগান্তি নিয়ে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ লাঘবে এই আয়োজন করা হলেও পদে পদে ছিল ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা।

শুরুর দিকে এই আয়োজন সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ালেও আবেদন ফি বৃদ্ধি, পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন, পরীক্ষার ফলে ভুল, ভর্তি পরীক্ষার মেরিট পজিশন না দেয়া এবং বিষয় পছন্দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি দিয়ে আবেদন প্রভৃতি এই আয়োজনের সফলতা ঢাকা পড়েছে।

তথ্যমতে, ২০২০ সালে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি। সাধারণত বছরের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হলেও করোনার কারণে গত বছর ভর্তি পরীক্ষা হয়নি। এমনকি চলতি বছরের জুনে এসেও তাদের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যান্য বছরে জানুয়ারির প্রথম দিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়ে থাকে।

এদিকে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা চলতি ডিসেম্বরে এসে হাতেগুনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস শুরু করেছে। অন্যদিকে, ঢাবি, বুয়েটসহ অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এখনও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেনি। সে হিসেবে একবছর পিছিয়ে রয়েছে এই বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও করোনার প্রাদুর্ভাবে সেটা নিতে পারেনি। এরপর ২ এপ্রিল মেডিকেল কলেজ ছাড়া কোথাও কোন ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা যায়নি। এমনটি কয়েকবার পিছিয়ে ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষাও।

৮ বিভাগীয় শহরে ঢাবির পরীক্ষা
কয়েক দফায় পেছানোর পর গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এবার প্রথমবারের মতো ঢাকাসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়।

বুটেক্সের ফলে গরমিল, পরে সংশোধন
গত ১২ নভেম্বর ঢাকার মোট ৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৭ নভেম্বর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হলে যাচাই প্রক্রিয়ায় গরমিলের অভিযোগ তুলে একাধিক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। পরেরদিন ১৮ নভেম্বর তা স্থগিত করে ১৯ নভেম্বর সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকৌশল গুচ্ছে প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) প্রকৌশল গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে। করোনার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুই দফায় পিছিয়ে গত ১২ নভেম্বর এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় এই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে কারও ছিল না কোন অভিযোগ।

কৃষি গুচ্ছের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ
গত ২৭ নভেম্বর দ্বিতীয় বারের মতো সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে ২ ডিসেম্বব ফল প্রকাশ করার পর ফল পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হলে ভর্তিচ্ছু অনেকেই আবেদন করে। পরে  ফল পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশিত হলে ভর্তি পরীক্ষায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া, তুলনামূলক বেশি নম্বর পেয়েও মেধা তালিকার পেছনের সারিতে নাম আসা— এসব অভিযোগের পর উত্তরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তখন ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি বলছিল, তারাও এরকম অভিযোগ পেয়েছে। বিষয়টি ‘রিচেক’ করে দেখা হবে।

পরবর্তীতে ৯ ডিসেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের পর আগের ফলাফল বাতিল করে নুতন করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা লগইন করে দেখা যাবে কৃষি গুচ্ছের মেধাতালিকা নতুনভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা দুই ধাপে
প্রথমবারের মতো এবার ভর্তি পরীক্ষা দুই ধাপে নিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এর মধ্যে প্রথমে প্রাক্‌-নির্বাচনী পরীক্ষা (প্রাথমিক বাছাই) এবং পরে  চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাও কয়েক দফায় পিছিয়েছে।

স্বস্তির গুচ্ছ পরীক্ষায় ভোগান্তি-বিড়ম্বনা
শিক্ষার্থীদে দুর্ভোগ লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দীর্ঘদিন ধরেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের তাগাদা দিচ্ছিল তদারকি সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসির সেই আহবানে সাড়া দিয়ে এবার ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।

শুরুর দিকে বিষয়টি সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ালেও আবেদন ফি বৃদ্ধি, পরীক্ষার ফলে ভুল, মেরিট পজিশন না দেয়া এবং সবশেষ বিষয় পছন্দের জন্য বাড়তি ফি নির্ধারণ করায় এই পদ্ধতির পরীক্ষা আয়োজনের সফলতা ঢাকা পড়েছে ব্যর্থতায়।

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি। তারা বলছে, প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে কিছু ভুল হতেই পারে। তবে সেগুলো বড় কোন ভুল নয়।

গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে— জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

রাবির ফলেও গরমিল
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষাও কয়েকবার পিছয়ে গত ৪ অক্টোবর শুরু হয়। তিনটি ইউনিটে পরীক্ষা শেষ হয় ৬ অক্টোবর। এদিকে, ‘বি’ ইউনিটের  ফল প্রকাশিত হলে কোনো কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেও ফলাফলে দেখাচ্ছিল ‘অনুপস্থিত’। কারওবা ফল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো। আবার কেউ ভালো পরীক্ষা দিয়েও ‘অনুত্তীর্ণ’। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগের ফলাফলটি সরিয়ে নিয়ে নতুন করে ফলাফল প্রকাশ করে।

পরীক্ষা পিছিয়েছে কয়েক দফা
করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা কয়েক দফায় পেছানো হয়েছে।

তাছাড়া সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিট, আর্মড ফোর্সেস ও ৫টি আর্মি মেডিকেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অন্তর্গত প্রযুক্তি ইউনিট, গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটেরও ভর্তি পরীক্ষা কয়েক দফায় পেছানো হয়েছে। তবে পরবর্তীতে এসব ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন কলেজে স্নাতক ভর্তির কার্যক্রমও করেনার কারণে স্থগিত করা হয়েছিল।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে
দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা গত ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও তখন দেশে করোনার সংক্রমণের গতি ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় শঙ্কায় পড়েছিল পরীক্ষার্থী-অভিভাবকরা। তবে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি যথাসময়ে পরীক্ষা নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সাফল্য
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নিটোর সাত কলেজে এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষে রয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের এই সফলতা শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। প্রায় লাখ খানেক শিক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হন দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) ভর্তি পরীক্ষাতেও প্রথম হয়েছেন দারুননাজাত মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. হাসিবুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রথম হয়েছেন মো. নাজমুল আলম। তিনিও মাদ্রাসার ছাত্র। সবশেষ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশোধিত ফলে প্রথম হন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সাদ ইবনে আহমাদ।

দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা না রাখার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ‘সেকেন্ড টাইম’ না রাখায় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি ভর্তি পরীক্ষায় সেকেন্ড টাইম পুনর্বহাল করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা বন্ধের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত ২০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।