বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মর্যাদাক্রম প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মর্যাদাক্রম প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ

কিছু সংগঠন আছে যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাঙ্কিং করে থাকে। তবে তাদের এই র‌্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ। প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়াতে র‌্যাঙ্কিং করলে বরং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর।

গত সোমবার  সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের সম্পদ সীমিত, তবুও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সীমিত সামর্থ্যের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চটুকু দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বল্প খরচে দেশের মেধা বিকাশ ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রফেসর ড. সৌমিত্র জানান, ধারাবাহিকভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়া তরান্বিত হবে।

উপাচার্য আরও জানান, আপনাদের মাঝে আসতে পেরে আমি একদিকে যেমন আবেগাপ্লুত অন্যদিকে কিছুটা বেদনাহত। আবেগাপ্লুত কারণ আমার শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছে, অন্যদিকে বেদনাহুত হয়েছি কিছু শিক্ষার্থীর আর্থিক দুরবস্থার চিত্র দেখে। আমরা নিয়মের মধ্যে থেকে সব সময় আপনাদের পাশে আছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল হালিম, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্টের হেড অব অপারেশন্স কাজী আহমেদ ফারুক, অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার মো. রাকিবুল ইসলাম, শশী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম কিরণ সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে। এর মধ্যে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন। তাদেরকে আগামী চার বছর প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।