তামান্নার ইচ্ছে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে পড়া

তামান্নার ইচ্ছে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে পড়া

জন্মের পর থেকে তামান্নাকে নিয়ে মায়ের লড়াই শুরু হয়। তবে সে লড়াইয়ে তিনি হারতে চাননি। সেই গল্প পুনরায় বললেন খাদিজা পারভীন, ‘২০০৩ সালের ১২ ডিসেম্বর তামান্নার জন্ম। ওর জন্মের পর কষ্ট পেয়েছিলাম। পরে ভেবেছি, ওকে কারও বোঝা হতে দেওয়া ঠিক হবে না। ছয় বছর বয়সে ওর পায়ে কাঠি দিয়ে লেখানোর চেষ্টা শুরু করি। কলম দিই। কাজ হয় না। এরপর মুখে কলম দিই। তাতেও কাজ হয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নিই, ওকে পা দিয়েই লেখাতে হবে। এরপর বাঁকড়া আজমাইন এডাস স্কুলে ভর্তি করাই। মাত্র দুই মাসের মাথায় ও পা দিয়ে লিখতে শুরু করে। এরপর ছবি আঁকা শুরু করে।’

এ বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পান তামান্না। বৃত্তিও পান। পঞ্চম শ্রেণি পাসের পর তামান্নাকে বাঁকড়া জনাব আলী খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে জেএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ-৫ পান। ২০১৯ সালে তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পান। এরপর তাঁকে বাঁকড়া ডিগ্রি কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে এইচএসসিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি।